করোনা নামের এই ভাইরাসটির চিকিৎসা কি বিস্তারিত দেখুন

করোনা নামের এই ভাইরাসটির নতুন সৃষ্টি হওয়ার কারণে এখনো তার কোনো রকম টিকা কিংবা ওষুধ আবিষ্কার হয়নি ।
এই রোগটি প্রতিরোধ করার জন্য এমন কি কোন মেডিসিন বা চিকিৎসাও সৃষ্টি হয়নি যাতে রোগটি প্রতিরোধ করা যায় ।
এই রোগটি থেকে বাঁচার উপায় হলো কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলা কিছু নিয়ম কানুন মেনে চললেই এ রোগটি থেকে বাঁচা সম্ভব হতে পারে ।

*** করোনা ভাইরাসের বেশ কিছু লক্ষণ নিছো লক্ষ্য করা হলো :-

*** অল্প জ্বর থেকে প্রচন্ড জ্বর হওয়ার সম্ভাবনা থাকে ।
*** নিউমোনিয়া হতে পারে ।
*** শ্বাসকষ্ট কাশি এবং হাঁচি হতে পারে ।
*** পেট ব্যাথা বমি বমি ভাব হতে পারে ।
*** অঙ্গ বিকল হতে পারে ।

*** এই রোগটির কিছু তথ্য লক্ষ্য করা হলো ***

চীনের উহান শহরে থেকে করোনা ভাইরাসের যাত্রা শুরু হয়, এখন এই ভাইরাসটি গোটা বিশ্বেই করোনা ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়েছে ।
বিশেষ করে চীনের এর প্রভাব খুব বেশি বিভিন্ন বিশ্বস্ত সূত্রে পাওয়া যায় এই করোনা ভাইরাসটি প্রভাবে চীনে অনেক মানুষ মারা গেছে,
চীনা চিকিৎসকরা জানিয়েছেন এই ভাইরাসটি পরশু থেকে বা কিছু খাবার থেকে সৃষ্টি হয়েছে এই ভাইরাসটি হয়েছে বাজার সামগ্রিক কিছু খাবার থেকে যেমন :- ইঁদুর, বাহাদুর, শিয়াল, ভেড়া, মুরগি, সামুদ্রিক মাছ, খরগোশ সহ বিভিন্ন ধরনের প্রাণী থেকে।
চীনে বিভিন্ন ধরনের প্রাণী বিক্রি করা হয় চীনের বাজারে এবং এই ধরনের প্রাণী তারা খায়,
এই প্রাণী খাবারগুলো চীনের একটি জনপ্রিয় খাবার এই খাবার থেকে সম্ভবত ধারণা করা হয় এসব খাবার থেকে এই করোনা ভাইরাসটি সৃষ্টি হয়েছে যার ফলে পুরো চীন সহকারে পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে এই করোনা ভাইরাস ।

*** এ ভাইরাসটি খুবই ভয়ঙ্কর ***
এই ভাইরাসটির আক্রান্ত রোগী যদি কোনো মানুষের সাথে কথা বলে বা তার সাথে হাত মিলায় সাথে সাথে ঐ রোগীর শরীর থেকে অন্য যেকোন শরিলে ভাইরাসটি খুব তাড়াতাড়ি ছড়িয়ে পড়ে ।
এবং অন্য জনের এই ভাইরাসটি তাড়াতাড়ি ছড়িয়ে পরবে ।

*** এই ভাইরাসটি শুরু ***
*** সাধারণত ঠান্ডা লাগা থেকে শুরু হয় এই ভাইরাসটি
*** যেমন হাসি শ্বাসকষ্ট কাশি এবং হালকা জ্বর থেকে এই ভাইরাসটি শুরু হয় এবং এগুলো এ রোগের লক্ষণ ।

*** এই ভাইরাসটির জন্য এখনো ও কোন মেডিসিন আবিষ্কৃত হয়নি বা এই ভাইরাসটি জন্য কোন মেডিসিন কাজ করে না এমনকি অ্যান্টিবায়োটিক ও কাজ করে না ।

এই ভাইরাসটির ফলে লিভার কিডনি ও ফুসফুসে  মরণঘাতী মরণ হতে পারে এবং মানুষের মৃত্যু ও হয়ে যেতে পারে ।

*** এই ভাইরাসটি প্রতিরোধে আমাদের করনীয় হল ***

আক্রান্ত দেশ ভ্রমণে নিজে সতর্ক থাকবেন এবং অন্যদেরকে সতর্ক রাখবেন ।

১:- আক্রান্ত দেশে যেমন যে দেশে করোনা ভাইরাস আছে সে দেশে ভ্রমণ করা যাবে না যার ফলে করোনা ভাইরাসটি সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়বে এবং আপনিও আক্রান্ত হতে পারেন ।

২:- সাবান দিয়ে ঘন ঘন হাত ধুবেন কোন ধরনের ময়লা বা জীবাণু হাতে না রাখার চেষ্টা করবেন কারো সাথে হাত মিলালে কিছুক্ষণ পর তাৎক্ষণিক হাত ধুয়ে ফেলবেন তাতে জীবাণু  ধ্বংস হয়ে যাবে ।

৩:- হাচি বা কাশি দেয়ার সময় রুমাল ব্যবহার করবেন, মনে রাখবেন আপনার হাচি ও কাশি যেন অন্য কারো গায়ে বা শরীরে না যায় তাতে তারও সমস্যা হতে পারে এবং নিজের প্রতি যত্ন রাখবেন ।

৪:- বাহিরে বের হলে মাক্স ব্যবহার করবেন যাতে বাহিরের ময়লা ও ধুলাবালি আপনার শ্বাস-নিঃশ্বাস না ঢুকতে পারে এবং আপনার শরীর ও ফুসফুসের কোন ক্ষতি যেন না হয় তাতে সব সময় বাহিরে মাক্স ব্যবহার করে চলাফেরা করবেন ।

৫:- কোলাহল যুক্ত বা অ্যালকোহল স্থান যথাসম্ভব এড়িয়ে চলুন, ধূমপান থেকে দূরে থাকুন ধুমপান করবেন না ।
ধুমপান ক্ষতিকারক এবং ধূমপানের কারণে এই করোনাভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে ধূমপান এবং অ্যালকোহল জাতীয় যত ধরনের জিনিস আছে সব এড়িয়ে চলুন তাতে আপনার শরীর স্বাস্থ্য এবং করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তি পাবেন ।

৬:- কারোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের সাথে দেখা করবেন না এই রোগীদের এড়িয়ে চলুন এ আক্রান্ত রোগীদের থেকে দূরে থাকুন যাতে ওই রোগীর শরীর থেকে জীবাণু ও ভাইরাসটি আপনার শরীরের না ছড়িয়ে পড়ে এই ব্যাপারে সতর্ক থাকুন এবং অন্যকে সতর্ক রাখুন ।

৭:- করোনা ভাইরাসের আক্রান্ত রোগীদের ভালোভাবে চিকিৎসা সেবা দান করুন এবং তাদেরকে হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা প্রদান করুন এবং তারা সঠিকভাবে চিকিৎসার মাধ্যমে ভালো হয়ে ওঠার সম্ভাবনা থাকে এবং তাদের থেকে আপনারা সবাই দূরে থাকুন ।

*** কারনা ভাইরাসটি সবার মাঝে যেভাবে ছড়ায় তার লক্ষণগুলো ***

*** শুরুতে জানিয়ে দিয়েছি করোনা ভাইরাসটি কিছু প্রাণী থেকে বা চীনের কিছু খাবার থেকে সৃষ্টি হয়েছে এই কারণে ভাইরাসটি প্রাণী থেকে বা প্রাণীর দেহ থেকে সৃষ্টি হয়েছে এবং এ কারণে ভাইরাসটি প্রাণীর দেহ থেকে মানুষের দেহে প্রবেশ করে এবং মানুষের দেহ থেকে আরেক জনের দেহে প্রবেশ করে শ্বাস-প্রশ্বাস ও সংক্রমিত তার বস্তুর মাধ্যমে ছড়ায় ।

*** এ ভাইরাসটি প্রতিরোধে আপনাদের যা যা করণীয়***

১:- অপরিষ্কার হাত যেন মুখ না ওঠে এবং শরীরের কোন জায়গা না লাগে ।
অপরিষ্কার হাত বারবার সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলুন অপরিষ্কার হাত সব সময় পরিষ্কার রাখুন যাতে আপনার হাতে কোনো রকম জীবাণু না থাকে এই জীবাণুর কারণে করোনা ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়বে ।

২:- হ্যান্ডওয়াশ এর বেলায় সতর্ক হওয়া ভালো খারাপ দেখে ব্যবহার করুন এবং হ্যান্ডওয়াশ এর মাধ্যমে আপনার হাত ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন যাতে আপনার হাতে কোনো রকম ময়লা বা কোনো রকম জীবাণু না থাকে, জীবাণু থাকলে তা আপনার শরীরে ছড়িয়ে পড়বে তাতে আপনি অসুস্থ হতে পারেন ।

৩:- ডিম মাংস এগুলো ভালোভাবে সিদ্ধ করুন যাতে কোনো রকম ভাইরাস না থাকে এবং বিভিন্ন রকম ফল ভালোভাবে সুন্দর করে ধুয়ে নিবেন ।
এই ফল ও খাবারের মাধ্যমে করোনা ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়বে আপনার এবং সবার মাঝে এই ব্যাপারে সবাই সতর্ক থাকবেন এবং অন্যদেরকেও সতর্ক থাকার জন্য পরামর্শ দিবেন ।

৪:- এবং জীব জন্তু বা বিভিন্ন রকম প্রাণী থেকে দূরে থাকুন তাদের শরীরে থেকে এ করোনা ভাইরাসটি সৃষ্টি হয়েছে এবং তাদের শরীরের মাধ্যমেই মানব দেহে ছড়িয়ে পড়ছে ।

বিজ্ঞানীদের আবিষ্কার বা চিকিৎসকদের আবিষ্কার চীনে প্রাণী থেকে এই ভাইরাসটি মানব দেহে ছড়িয়ে পড়ছে যার ফলে আজ বিশ্ব মানবতা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশ্ব আজ আতঙ্ক হয়ে পড়েছে ।

৫:- নিজের ব্যবহার করা জিনিস কারো সাথে শেয়ার করবেন না ।
যেমন :- শার্ট, প্যান্ট, গেঞ্জি, জুতা, খাবার চামচ, প্লেট, গ্লাস, এবং তোয়ালে, গামছা, এগুলো কারো সাথে শেয়ার করবেন না ।
যদি করেন তার মাধ্যমে আপনার শরীরের করোনা ভাইরাসটি সৃষ্টি হতে পারে ।

৬:- আপনার বাসার চারপাশে বা আপনি বসবাস করেন তার চারপাশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন এবং আপনার আশেপাশের প্রত্যেকটি জায়গায় পরিষ্কার রাখুন ময়লা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলুন ।
এবং সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকার চেষ্টা করুন যাতে আপনার শরীরে কোন জীবাণু আপনাকে আক্রমণ করতে না পারে ।
অপরিষ্কার থাকার কারণে কারণে ভাইরাসের সৃষ্টি হয় আপনি আক্রান্ত হতে পারেন ।

*** করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে কী কী হতে পারে তা আজকে নিজের চোখে বিস্তারিত দেখুন ***

এই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে বা শরীরে ঢুকে পরলে আমরা রোগের লক্ষণ বুঝতে পারি না ।
এক সপ্তাহ সময় লেগে যায় এক সপ্তাহ পর আপনার শরীরে আস্তে আস্তে রোগের লক্ষণগুলো অনুভব করা যায় বা বুঝা যায় ।
আপনার শরীর ঠান্ডা লাগবে জ্বর হবে এবং শ্বাসকষ্ট হবে বা সর্দি এবং শুকনো কাশি হবে,
যখন আপনার শ্বাসকষ্ট বা কাশি হবে তখন কোন কোন রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় কেননা তাদের শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ার ফলে তাদের শরীলে খুব কষ্ট হয়ে থাকে ।

এই ভাইরাসটি কতটা বিপদজনক তা এখনো ভালো করে বোঝা যায়নি ।
কেননা এ ভাইরাসের রোগীরা আক্রান্ত হয়ে মাত্র ২ শতাংশ রোগী মারা গেছে এবং তাই কতটা ভয়ঙ্কর তা এখনো স্পষ্ট হয়নি স্পষ্ট বলা যায়নি ।

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *