ভোলা জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানুন

১২৩৫ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগরের মাঝে একটি চর সৃষ্টি হয়। এরপর সেই চরে ১৩০০ খ্রিস্টাব্দে লোকজন ধীরে ধীরে বসবাস করতে শুরু করে।
তখন ১৫০০ খ্রিস্টাব্দে মগ ও পুর্তুগিজ থেকে জলদস্যুরা সেই দ্বীপটিকে দখল করে এবং তাদের ঘাঁটি স্থাপন করে
সেইসময়ের সম্রাট আকবরের অন্যতম সেনাপতি ছিলেন  শাহজাহান ।
মগদের বর্তমান দৌলতখানে স্থানে একটি দুর্গ স্থাপন করেন ।
এবং তার নাম অনুসারে সেই সময়ের এই দ্বীপটির নামকরণ করা হয় শাহবাজপুর।
এবং কালের বিবর্তনে শাহবাজপুর নামটি পরিবর্তন হয় পরবর্তীতে ভোলা নামে নামকরণ করা হয় এবং ভোলা নামে নাম রাখা হয় ।

এই ভোলার দ্বীপটির আয়তন হল ৩৪০৩.৪৮ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের এ দ্বীপটি । এবং এই দ্বীপটি ১৯৮৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের বুকে আরেকটি প্রশাসনিক জেলা হিসেবে নতুন করে পথ চলা শুরু করে এবং সাম্প্রতিক সময়ে ভোলাকে কুইন আইল্যান্ড অব বাংলাদেশ উপাধি পায় ।
এই দ্বীপটি হলো বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় একটি দ্বীপ যাকে বলা হয় বদ্বীপ এবং সুন্দরের দিক দিয়ে  বাংলাদেশের একমাত্র দ্বীপ জেলা ভোলা ।

এই দ্বীপটির উত্তরে ও পূর্বে রয়েছে মেঘনা নদী, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং উত্তর-পূর্ব কোণে আছে ইলিশা দক্ষিণ-পূর্ব কোণে আছে শাহবাজপুর এবং পশ্চিমে তেতুলিয়া নদী বহমান আছে ।

এই ভোলা জেলার নদীপথ অনেকটা এলাকা জুড়ে বিস্তীর্ণ বা বিশাল এলাকা জুড়ে
ভোলার অভ্যন্তরীণ নৌপথ গুলো ছাড়াও রয়েছে বেশকিছু নৌপথ, এবং রাজধানী ঢাকা সহ বিভিন্ন শহরে সাথে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য বেশ কয়েকটি নৌরুট রয়েছে ।

প্রত্যেকটি নৌরুটে রয়েছে সুন্দর পরিবেশে নৌযান চলাচল ও নিজস্ব পরিবহন যাতে ভোলার মানুষ আনন্দময় ও নিরাপদে চলাফেরা করতে পারে এবং তারা তাদের নিজ নিজ যায়গায় নিরাপদে যেতে পারে তাদের চলাফেরার জন্য নৌ-রুট কে নিরাপদে চলাচলের উপযোগী করে তোলা হয়েছে ।
লোকজন সহজে নিজ নিজ গন্তব্য থেকে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে ও বিভিন্ন গন্তব্যে পাড়ি দিতে পারছে নৌরুটে চলাফেরা করে তাদের দৈনন্দিন জীবনের চাহিদা মেটাচ্ছে

ভোলা জেলার উল্লেখযোগ্য নৌ-পথ গুলো হল :-

*** ভোলা টু ঢাকা :- ভোলা লঞ্চঘাট থেকে যাত্রা শুরু করে কোন প্রকার বিরতি ছাড়া 195 কিলোমিটার নদীপথ পথ পাড়ি দিয়ে ঢাকা নদী বন্দরের মাধ্যমে ঢাকা পৌঁছায়
দ্রুতগামী এবং উন্নত মানের লঞ্চ। এবং উন্নত মানের সেবা হিসেবে বিবেচনায় আছে ভোলা টু ঢাকা লঞ্চ গুলো

এই নৌরুটে উন্নত মানের বেশ কিছু নৌযান আছে ভোলার মানুষের যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম হলো নৌযান, ভোলা মানুষের আস্থা অর্জন করে নিয়েছেন এই নৌরুটের যাতায়াতের নৌযান গুলো,
তাদের কাজের মাধ্যমে তাদের সেবার মাধ্যমে জনগণের আস্থার ও বিশ্বাসের পাত্র হয়ে উঠেছেন ।

*** দৌলতখান টু ঢাকা :- দৌলতখান থেকে ঢাকা যাওয়ার সময় যাত্রা শুরু সময় তাদের যাত্রাপথ ১৭৯ কিলোমিটার যাত্রা পথ পাড়ি দেওয়ার মাধ্যমে ঢাকা পৌঁছায় ।
তাদের কয়েকটি ঘাটে দৌলতখান পথের দাঁড়ান এর নৌরুট গুলো হলো তুলাতুলি, দাশেরহাট, বিশ্বরোড, কাঠির মাতা, মল্লিকপুর, কালিগঞ্জ চর, এই ঘাটগুলোত ধরে দৌলতখান থেকে লঞ্চটি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন ।

তবে এই রোডে ঢাকার উদ্দেশ্যে যে পণ্য পাঠানো হয় তার বেশিরভাগ ও বিশাল অংশ ঢাকাতে মাছ রপ্তানি করা হয় তার মধ্যে বিভিন্ন প্রকার মাছ রয়েছে, সবচেয়ে বেশি মাছ হচ্ছে ইলিশ যা ভোলা থেকে ঢাকা রপ্তানি করা হয় ।
এবং এই রুটের যাত্রীদের মধ্যে একটি আনন্দ – উল্লাসে জাকজমকপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হয়ে থাকে এবং যাত্রীরা নিরাপদে তাদের গন্তব্যে পৌঁছায় ।

*** বেতুয়া চরফ্যাশন টু ঢাকা ভোলার নৌরুট গুলোর মধ্যে এই বেতুয়া চরফ্যাশন টু ঢাকা নৌরুট খুব গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় একটি রোড যার মাধ্যমে মানুষের যাতায়াত খুব বেশি পরিমাণ হয়ে থাকে ।
অন্য অন্য রোড থেকে এই নৌরুটে মানুষের চলাচল খুব বেশি পরিমাণে থাকে। 
এই নৌ-রুটের চলাচলের জনপ্রিয়তা স্থানীয় লোকদের পাশাপাশি অন্য লোকদের মাঝে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে বিশেষ করে পর্যটকদের চলাফেরা বেশ সমগম এই জনপ্রিয় নৌ-রুটের চলাচলের ঘাট হলো এই নো রুট ।
এই নৌরুটে মাধ্যমে মানুষদের উঠানামা হয় ।
সেই ঘাট গুলোর অন্যতম ঘাট হলো :- হাকিমুদ্দিন, মির্জাকালু, তজুমুদ্দিন, শশীগঞ্জ, সি-ট্রাক ঘাট, সরাসগঞ্জ, মঙ্গল শিকদার ঘাট হয়ে বিশাল এক পথ পাড়ি দিয়ে ভেদুয়া থেকে ঢাকা যাত্রা পথ শেষ হয় ।
এ যাত্রা পথের আয়তন হলো 240 কিলোমিটার বিশাল একটি মানুষ ও পর্যটকরা খুব আনন্দ সহকারে ভ্রমণ করে থাকেন । এবং এই পদটি খুব জনপ্রিয় এই পথে চলা লঞ্চগুলো বিশাল আকারের ও উন্নত মানের লঞ্চ অদক্ষ চালকদের দ্বারা পরিচালিত হয়।
এই রুটি ঢাকায় বাণিজ্যিক পণ্য পাঠানো হয়,
তার মধ্যে রয়েছে কাঁচা মাছ, ও শুটকির, পাশাপাশি মৌসুমে এই রুটে রাজধানী সহ বিভিন্ন শহরে বাণিজ্যিক পণ্য ও সামগ্রী থাকে সুপারি, পান, নারিকেল, শসা, তরমুজ, মৌসুম ভেদে রাজধানীতে বাণিজ্যিক পণ্য গুলো পাঠানো হয়।

*** হাতিয়া মনপুরা ঢাকা:- এই  নৌরুট জনবহুল ও  জনপ্রিয় অন্যতম একটি নৌঘাট
এই ঘাট টি জনপ্রিয় হওয়ার প্রধান কারণ ভোলা জেলার মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন এই সুন্দর ও পকৃতিক সুন্দর্যপূর্ণ মনপুরা দ্বীপের মানুষের যোগাযোগের একমাত্র ভরসা নৌযান ।
এই রোডের ঢাকাগামী নৌযানটি ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে বিভিন্ন ঘাটে যাত্রী উঠানামা করে থাকে সেই ঘাট গুলো  হলো:- হাতিয়া, মনপুরা, কালিগঞ্জ, বিশ্বরোড ঘাট, দৌলতখান, সরাসগঞ্জ, মির্জাকালু, হাকিমুদ্দিন, তজুমুদ্দিন, ঘাট শেষে রাজধানী উদ্দেশ্যে রওনা দেয় ‌ এই  বিশাল এই নৌরুটে আয়তন হলো আয়তন হলো ২৩৩ কিলোমিটার এই বিশাল নদী পাড়ি দিয়ে এই রুটের যাত্রীরা নিরাপদে ও আধুনিক সু-ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভাবে চলাচল করে  থাকে।
অন্যান্য নৌপথের চলাচলের মত এই রুটেও রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরে মাছ ও শুটকি সহকারে বিভিন্ন সবজি রপ্তানি করা হয় ।
হাতিয়া দ্বীপ সম্পর্কে আরও কিছু তথ্য বিস্তারিত বলে রাখা ভাল, হাতিয়া দ্বীপ নোয়াখালী জেলা অন্তর্গত অন্তর্গত বেশ কয়েকটি উপকূলীয় দ্বীপ নিয়ে গঠিত হাতিয়া নদী বেষ্টিত এই দ্বীপটি যার মধ্যে সুন্দরতম অনেক জায়গা রয়েছে । যেমন নিঝুম দ্বীপ যার মধ্যে দূর-দূরান্ত থেকে পর্যটকরা ছুটে আসেন এবং তারা নিঝুমদ্বীপের উদ্দেশ্য নিঝুমদ্বীপ দেখার জন্য বিভিন্ন জায়গা থেকে পর্যটক আসেন ।
হাতিয়া দ্বীপের সৌন্দর্য অন্যতম প্রতীক নিঝুম দ্বীপ।
এই দ্বীপটির চারপাশে নদী এবং দ্বীপ মাঝখানে অবস্থিত এই দ্বীপটি যার চলাচলের প্রধান রাস্তা হচ্ছে নৌ ব্যবস্থা এবং এখানকার মানুষের পছন্দের অন্যতম আস্থাভাজন মাধ্যম হলো নো ব্যবস্থা ।

*** হাজির হাট মনপুরা চাঁদপুর-ঢাকা, এই রুটে লঞ্চ চলাচলে খুব বেশিদিন হয়নি, অল্প কিছুদিন আগে এই রুটের লঞ্চ চলাচল শুরু হয়েছে, এই রুটে লঞ্চ চলাচল শুরু হওয়ার কারণে মানুষ খুব আনন্দিত এবং তাদের মূল্যবান সময় নষ্ট থেকে ও তাদের ভোগান্তি থেকে রক্ষা পেয়েছে ।
কেননা তারা রাজধানী সহ বিভিন্ন শহরে উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার জন্য তারা মনপুরা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করতেন ।
ঢাকা যাওয়ার জন্য বের হতেন এতে তাদের ভোগান্তির শেষ ছিল না, এতে তারা খুব ভোগান্তির মধ্যে পরতেন যার কারণে তাদের দীর্ঘ সময় লেগে যেত বা অতিবাহিত হতো তাইতো ব্যবসায়ী ও যাত্রীদের স্বার্থের কথা বিবেচনা করে এই রুটে সুবিধাটি প্রস্তুত করেছেন ।
এই হাজির হাটের নৌপথ ও বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে বিভিন্ন ঘাটে এবং বিভিন্ন টার্মিনাল থেকে জনগণ ও যাত্রীদের নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে লঞ্চ ছাড়েন এতে যাত্রীদের দুর্ভোগ কমেছে যার মাধ্যমে যাত্রীরা খুব তাড়াতাড়ি ও সুন্দর পরিবেশে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিতে পারে এবং তাদের মূল্যবান সময় নষ্ট হয় না ।
এবং খুব অল্প সময়ের মধ্যে ঢাকা পৌঁছে যেতে পারে এবং এই পথে নিরাপদ ভাবে চলাফেরা করতে পারে এবং সব রুটের মতো এই রুটে ও ঢাকার উদ্দেশ্যে বাণিজ্যিক পণ্য পাঠানো হয় ।

*** ঘোষের হাট নাজিরপুর থেকে ঢাকা :- এটি একটি পরিচিত এবং জনপ্রিয় বলা হয়ে থাকে,
এই নৌ-রুটের আয়তন ২০৭ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাওয়া হয় এবং বিভিন্ন যাত্রী উঠানোর জন্য এই ঘাটের লঞ্চ টি দাড়ায় সেই ঘাট গুলোর অন্যতম ঘাট হলো:- দেউলিয়া, ফতুল্লা লঞ্চঘাট, ঢাকা নদী বন্দরের দিকে এবং এই লঞ্চঘাট দিয়ে ভোলা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ব্যবসায়িক পণ্য পাঠানো হয় ।

এবং জনপ্রিয় আরেকটি ঘাট হল

*** লালমোহন টু ঢাকা:- এই নৌরুটে আয়তন হলো ২০১ কিলোমিটার এই দীর্ঘ সময় যাত্রার মধ্যে নির্দিষ্ট কিছু সময় এই ঘাটগুলোতে লঞ্চ দাঁড়ায় যাতে যাত্রীরা ওঠানামা করতে পারে ,
এই রুটের ঘাট গুলোর নাম হল :- নাজিরপুর, ভেরীর মাথা, দেবীরচর, ফরাসগঞ্জ, ঘাটে নির্দিষ্ট সময় যাত্রা বিরতি করে থাকে ।
অন্যান্য ঘাটের মতো এই ঘাটে ও ঢাকার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন বাণিজ্যিক পণ্য রপ্তানি ও আমদানি করা হয়, এবং এই ঘাট টি বেশ জাঁকজমকপূর্ণ এবং এই ঘাটে যাত্রী চলাচল খুব বেশি হয়ে থাকে এবং খুব সহজে ও নিরাপদে এই পথ দিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে যেতে পারেন ।
এবং যাত্রীদের নিরাপদে জন্য খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই নৌপথ টি
এবং এই নৌরুটে বিলাসবহুল লঞ্চ ও ভিআইপি মানের লঞ্চ সেবা আছে এবং উন্নত মানের যাত্রীদের সেবা দেওয়া দেওয়ার জন্য উন্নতমানের লঞ্চ আছে, যাতে যাত্রীরা খুব আনন্দের সাথে ভ্রমণ করতে পারে।

*** লেতরা ঘোষের হাট টু ঢাকা :- এই রুটের আয়তন ২০৭ কিলোমিটার এই রুট দিয়ে ও অন্যান্য নৌপথের মতো ব্যবসায়িক পণ্য ঢাকার উদ্দেশ্যে পাঠানো হয় এবং রুট টি দিয়ে অসংখ্য মানুষের ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয় ।

*** বোরহানউদ্দিন গঙ্গাপুর থেকে ঢাকা :- এই রুটে নৌ  চলাচল বেশ জনপ্রিয় এবং এই রুটের আয়তন ১৯৮ কিলোমিটার অসংখ্য মানুষের যাতায়াত হয় এবং অন্যান্য নৌপথের মতো এই রুটে ও ঢাকার উদ্দেশ্যে বাণিজ্যিক পণ্য পাঠানো হয় ।

এবার আসি ভোলার নৌ-পথ ডুবোচর ও নতুন কিছু সমস্যা নিয়ে ।

ভোলা নৌ-পথে বেশ কিছু ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্ট আছে সেই ঝুঁকিপূর্ণ সমস্যা গুলোর অন্যতম হলো ডুবোচর ও সুরু চ্যানেল, এসব ডুবোচর ও সুরু চ্যানেল শীত মৌসুমে বেশ সমস্যায় পড়তে হয় যাত্রীদের ও যান চালকদের শীত মৌসুমে এসব পয়েন্টে নদীর পানি শুকিয়ে যাওয়ার ফলে নদীর ডুবোচরে সাথে আটকে যায় যার ফলে লঞ্চ চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং নদীর পানি শুকিয়ে যাওয়ার ফলে লঞ্চগুলো চলাচল করতে বাধা সৃষ্টি হয় ।
তাতে যাত্রীদের ভোগান্তি তৈরি হয় এবং শীত মৌসুমে এই পয়েন্ট গুলোতে চলাচল করতে খুব কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে ‌।

ভোলার নৌ-পথের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্ট গুলো হচ্ছে ।
ভোলা টার্মিনাল হতে ভেদুয়া সরু চ্যানেল, তারপরে আছে লালমোহন সরু চ্যানেল, নাজিরপুর লঞ্চঘাটের সাতবাড়িয়া ইত্যাদি এই জায়গা গুলো খুব ঝুঁকিপূর্ণ শীত মৌসুমে এই জায়গা গুলো দিয়ে লঞ্চ চলাচলে খুব কষ্ট হয় এবং লঞ্চ চরের সাথে বেজে যায় ।

এবং সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ডুবোচর ও সুরু চ্যানেল রয়েছে তেতুলিয়া।
তেতুলিয়া নদীতে রয়েছে বেশ কিছু অদৃশ্য ডুবোচর ও সুরু চ্যানেল যার মাধ্যমে ভোলার প্রত্যেকটি ঘাটে লঞ্চ চলাচল করতে বাধাগ্রস্ত হয় ঢাকা থেকে আসার জন্য প্রত্যেকটি ঘাটের লঞ্চ এই তেতুলিয়া নদীর ডুবোচরে বাধাগ্রস্ত হয় যার ফলে যাত্রী ও লঞ্চ চালকদের মধ্যে বিরক্তিকর সৃষ্টি হয় এবং যাত্রীদের ভোগান্তির অন্যতম কারণ এই তেতুলিয়া ডুবোচর ও সুরু চ্যানেল এর ফলে যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন ।

এবং সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও দায়িত্বহীন কাজ গুলো হলো :
ঢাকা থেকে ভোলা আসার জন্য ভোলা থেকে ঢাকা যাওয়ার জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নেই বিকরন বাতি
যার ফলে লঞ্চ মাস্টারদের অনুমানিক ধারণা অনুযায়ী লঞ্চ চালনা করতে হয় তাদের ধারণা অনুযায়ী লঞ্চ চালনা করে যাত্রীদের সঠিক গন্তব্যে পৌঁছে দিতে হয় ।
এর কারণে উল্লেখযোগ্য একটি সমস্যা পড়েছিল ২০০৯ সালে ২৭ ই নভেম্বর রাত নাজিরপুর ঘাট সংলগ্ন এলাকায় এম বি কোকো সেই লঞ্চটি সেই যায়গায় ডুবে যায় ।
এই ফলে সেখানে অনেক মানুষ নিহত হন ।

আমাদের এই সমস্যাটির চিহ্নিত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এই সমস্যার সমাধানে আপনাদের সাহায্য কামনা করছি কেননা এই নদীপথ বেঁচে থাকলেই বেঁচে থাকবে দেশের সৌন্দর্য এবং বেঁচে থাকবে পরিবেশ সুন্দর হবে ভোলা সহ বাংলাদেশের প্রত্যেকটি জেলার নৌপথের চলাচল এবং ভোলা জেলার মানুষের ভোগান্তি  দূর হবে ।
তাই কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি আমাদের এই সমস্যাটি অচিরেই দূর করার জন্য আমরা বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি আমাদের সমস্যা দূর হবে বেঁচে যাবে নদী সুন্দর হবে নৌপথের যাত্রীদের চলাচল ।

পর্যটকদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা
আপনারা ভোলার প্রত্যেকটি জায়গায় ঘুরে আসতে পারেন বলায় সৌন্দর্য ও মনোরম পরিবেশে পরিপূর্ণ একটি জেলা যাতে রয়েছে মনপুরা দ্বীপ, নিঝুম দ্বীপ এবং ভোলা যাতে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের সুন্দর পরিবেশের স্থাপনা যাতে রয়েছে এশিয়ার তৃতীয়তম জ্যাকব টাওয়ার এবং অন্যতম ভোলা জামে মসজিদ এবং মনপুরার বিখ্যাত পর্যটক কেন্দ্র এবং লালমোহনে সজীব ওয়াজেদ জয় ডিজিটাল পার্ক ।
এবং বিখ্যাত কিছু খাবার, যার মধ্যে রয়েছে মহিষের দই এবং ছানার মিষ্টি এবং আরো অনেক কিছু ।

পর্যটকদের উদ্দেশ্যে আপনাদের পছন্দের একটি নৌ-রুটে ঘুরে আসুন দেখবেন অন্য জায়গা থেকে আমাদের ভোলা অনেক জনপ্রিয় ও সুন্দরতম একটি জায়গা যাতে রয়েছে মনোরম পরিবেশ ও মানুষের মনের গভীর থেকে ভালোবাসা অন্যান্য জেলার থেকে ভোলার মানুষ অনেক সুন্দর তাদের আদর-আপ্যায়ন অন্যান্য জেলা থেকে আলাদা আমাদের এই ভোলায় আছে উপমহাদেশের সর্বোচ্চ ওয়াচ টাওয়ার, শাহবাজপুর গ্যাস ফিল্ড এবং দেশের দ্বিতীয় সুন্দর কুকরি মুকরি চর প্রকৃতির লীলাভূমি মনপুরা জাতীয় মঙ্গলের কবি মোজাম্মেল হক,
ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামী বিপ্লবী কমিউনিস্ট নেতা কমরেড এবং শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল । মোস্তফা কামালের ভোলা জেলায় আপনাকে স্বাগতম ।

এখানে আমরা সামান্য কিছু তথ্য তুলে ধরেছি এবং আমাদের ভুল হতে পারে তাই সবাই আমাদেরকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন, ধন্যবাদ ।

নবযুগ তার যৌবন ধরে রাখো,
ধরে রাখুক নদীর তার নিজস্ব ধারা,
সেই ধারা স্যারের টানে বেঁচে থাক সমগ্র ভোলার নৌপথ,
ঐতিহ্য ইতিহাস ও সভ্যতা ফিরে আসুক ভোলা সুপ্ত পুরনো  ।

ভালবাসি তোমায় ভালবাসি গো ভোলা,
ভালবাসি তোমার মানুষ,
ভালবাসি গো তোমায় সারা বেলা,
তোমায় নিয়ে মগ্ন আমি,
তোমায় নিয়ে থাকি,
তোমায় নিয়ে ভাবনা আমার,
তাইতো তোমায় ভালোবাসি,
ভোলা তোমায় দেখতে আমার মন যে ছুটে যায়,
তোমায় দেখা পেলে আমার দু’নয়ন ভরে যায়

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *