ভারতের সংঘর্ষ মুসলিমদের উপর অত্যাচার নাগরিকত্ব আইন নিয়ে সংঘর্ষ

হিন্দুস্তান ও জয় শ্রীরাম স্লোগান দিয়ে দিল্লিতে মসজিদে ও মুসলমানদের ঘরে আগুন দিয়েছে হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীরা ভিডিও দেখুন

হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীরা হিন্দুস্তান ও জয় শ্রীরাম স্লোগান দিয়ে  ভারতের নয়াদিল্লিতে মুসলমানদের বাড়িঘর ও মসজিদে আগুন দিয়ে মুসলমানদের উপর অত্যাচার সৃষ্টি করতেছে ভারতের হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীরা ও ভারতের হিন্দুত্ববাদী সরকার নাগরিকত্ব আইন সংশোধনের মাধ্যমে দিয়ে মুসলমানদের উপর নির্যাতনের অবস্থা সৃষ্টি করেছে ।

যদিও মুসলমানদের এই নির্যাতন অনেকদিন আগে থেকে চলতেছে কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথমবার ভারত সফর করার পর পরেই নাগরিকত্ব আইনের পক্ষে – বিপক্ষে বিক্ষোভ করেন আর সেই বিক্ষোভকারীদের ওপর সংঘর্ষ ও অমানবিক নির্যাতন চালায় নয়া দিল্লির হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীরা এবং সেই নির্যাতনের পুলিশ সেখানে উপস্থিত ছিলেন না এবং পুলিশ কোন রকম পদক্ষেপ নেয়নি এই পর্যন্ত এই সংঘর্ষ মঙ্গলবার রাতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ জন ।

মঙ্গলবার সংঘর্ষ চলাকালীন নয়াদিল্লির একটি প্রাচীন ও মুসলমানদের ধর্ম স্থান পবিত্র মসজিদে হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীরা আগুন লাগানোর ঘটনা ঘটেছে এবং তারা জয় শ্রীরাম এবং হিন্দু হিন্দুস্তান স্লোগান দিয়ে একদল হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীরা এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটায় এবং মসজিদে আগুন দেওয়ার পাশাপাশি মুসলমানদের বাড়িঘরে ও তারা আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয় ।

ওই হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীরা পবিত্র মসজিদের মিনারে উঠে মিনার কে ভাঙ্গার চেষ্টা করে এবং মিনার থেকে মসজিদের মাইগুলোকে ভেঙেচুরে ফেলে দেয় এবং মসজিদের মিনারের উপরে উঠে তারা তাদের মূর্তির বা হনুমানের ছবি সম্পৃক্ত পতাকা লাগিয়ে দেয় ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্যা ওয়ারের বরাত দিয়ে এসব তথ্য জানিয়েছে এবং কাতারভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরা ও এই খবর প্রচার করেছেন ।

এছাড়া সোশ্যাল মিডিয়ায় ফেসবুক ও ইউটিউব সহকারে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড  ছড়িয়ে পড়েছে এবং তারা মসজিদে আগুন দেওয়ার পাশাপাশি বেশ কিছু মুসলমানদের বাড়িঘর আগুনে জ্বালিয়ে দিয়েছে এবং তাদের সন্ত্রাসী কিছু কর্মকান্ড ও মুসলিমদের উপর নির্যাতন ও মসজিদে আগুন দেওয়ার পাশাপাশি মুসলিমদের বাড়িঘরে আগুন দেওয়ার বেশ কিছু ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে মোদি সরকার সাম্প্রদায়িকতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে আমরা আমাদের ওয়েবসাইটে কিছু ভিডিও দিয়েছি আপনারা সেগুলো দেখতে পারেন ভারতের হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ।

টুইটার ফেইসবুক ইউটিউব সরকারের বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ছড়িয়ে পড়েছে এবং বেশ কয়েকটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে ভারতের হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসী দলের একজন লোক পবিত্র মসজিদের মিনারের উপরে উঠে মিনারের বেশ কিছু স্থান ভাঙ্গার চেষ্টা করেছে এবং তার হাতে ছিল ভারতের পতাকা এবং হনুমানের পতাকা ।

এইসময় হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীরা মসজিদের আশেপাশে ও মসজিদের কম্পাউন্ডের বেশকিছু দোকানপাট লুট করে এবং বেশকিছু দোকানপাট এর টাকা-পয়সা এবং যাবতীয় জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায় স্থানীয় গণমাধ্যম এ ব্যাপারে এবং স্থানীয় জনগণ এই ব্যাপারে নিশ্চিত ভাবে তথ্য দিয়েছেন এবং তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও লুটপাটের কিছু ভিডিও ভাইরাল হয়েছে ।

যখন হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীরা মসজিদ সহকারে মুসলমানদের বাড়িঘরে আগুনে জ্বালিয়ে দিয়েছে তখন স্থানীয় সাংবাদিকরা সেখানে পৌছে দেখেন ফায়ার সার্ভিস ও দমকল কর্মীরা আগুন নেভানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তখন তারা দেখেন বিভিন্ন দোকানপাট ভাঙ্গা খোলা এবং সে দোকানপাটের সমস্ত টাকা পয়সা ও জিনিসপত্র লুট করে হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীরা নিয়ে গেছেন কিন্তু এত বড় একটি ঘটনা ঘটে মুসলমানদের পবিত্র মসজিদে আগুন দেওয়ার পাশাপাশি মুসলমানদের বাড়িঘরে আগুন দেয়া হয়েছে কিন্তু সেখানে কোন পুলিশ বা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কোন সদস্য বা কর্মীদের উপস্থিতি দেখা যায়নি ।

ওই সময় লুটপাট কারীদের বিষয়ে স্থানীয় গণমাধ্যম দের স্থানীয় বাসিন্দারা বলেছেন লুটপাট কারীরা সন্ত্রাসী তারা কেউ স্থানীয় মানুষ বা জনগণ নন, এই অঞ্চলটি হিন্দু অধ্যুষিত কিন্তু বেশ কয়েকটি মুসলিম পরিবার বাস করে এই অঞ্চলটিতে পুলিশ একবার এসে মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকদের এলাকা থেকে সরিয়ে নিরাপদ স্থানে নিয়ে গেছেন কিন্তু হতাহত বা সংঘর্ষের সময় পুলিশ উপস্থিত ছিলেন না ঘটনাস্থলে ।

এই সংঘর্ষের সময় দিল্লির নাগরিকত্ব আইনের পক্ষে – বিপক্ষে বিক্ষোভকারীদের ওপরে সংঘর্ষের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে দেশটির জনপ্রিয় ও স্বনামধন্য সংবাদমাধ্যমগুলোর বেশ কিছু সাংবাদিক ভুক্তভোগী ও সংঘর্ষের পাশাপাশি মারধরের শিকার হয়েছেন ।

সংঘর্ষ চলাকালীন যখন দেশটির সাংবাদিক ও স্থানীয় সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করার জন্য সে স্থানে গিয়েছিলেন তখন সাংবাদিকদের মারধর করা হয়েছে এবং সাংবাদিকদের মেরে ফেলার হুমকি দেয়ার পাশাপাশি দুই সাংবাদিক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এমনকি সাংবাদিক মুসলমান কিনা বা কোন ধর্মের সে বিষয়ে নিশ্চিত করার জন্য সাংবাদিকদের প্যান্ট খুলে তাদেরকে যাচাই-বাছাই করার মত ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে ‌।

মঙ্গলবার গুর্তেজ বাহাদুর হাসপাতাল মেডিকেল সুপারিনটেনডেন্ট সুনীল কুমার আল-জাজিরাকে বলেন সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছে বলে আমি নিশ্চিত করেছি,
এছাড়া আরো অনেক এ আহত হয়ে আমাদের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন এবং ভর্তি হয়েছেন অন্য একটি হাসপাতালের চিকিৎসক রাজেশ কার্লা বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন মঙ্গলবার আমাদের হাসপাতালে ৩০ জন ভর্তি হয়েছেন যাদের মধ্যে ১৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক আহতদের মধ্যে বেশিরভাগ গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ভর্তি হয়েছেন আমাদের হসপিটালে এবং আহতদের মধ্যে বেশিরভাগই কলেজ ও ইউনিভার্সিটি শিক্ষার্থীরা রয়েছেন ।

তখন অনিল মিত্তাল নামে একজন জ্যৈষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন গত দুইদিন দিল্লির সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ২০০ জন মানুষ আহত হয়েছেন ।

আমরা সবসময় এবং সর্বদা সঠিক তথ্য উপস্থাপন করি আমরা কোন ভুলভাল তথ্য আপনাদের কাছে বা আপনাদের সামনে তুলে ধরি না আমাদের তথ্য সর্বদা সঠিক ।

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *