রজব মাসের চাঁদ দেখা গেছে রমজানের ফজিলত

২২ শে মার্চ পবিত্র শবে মেরাজ

দেশের আকাশে কোথাও চাঁদ দেখা যায়নি সে কারণে ২৫ শে ফেব্রুয়ারি রজব মাসে  রজব মাস গণনা শুরু হবে সেই হিসেবে ২২ শে মার্চ পবিত্র শবে মেরাজ বা ২২ মার্চ দিবাগত রাতে পবিত্র শবে মেরাজ পালন করা হবে ।

শবে মেরাজ নিয়ে সোমবার সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররমের সভাকক্ষে ধর্মমন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি শেখ মোহাম্মদ আব্দুল তথ্য নিশ্চিত করেছেন,
তিনি আরো বলেন ১৪৪১ হিজরি সনের পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সব জেলা প্রশাসকও বাংলাদেশের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে যে আগামী ২২ শে মার্চ দিবাগত রাত্রে  পবিত্র শবে মেরাজ পালন করা হবে ।

এই সময়ে বৈঠক রত অবস্থায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আনিস মাহমুদ ও ধর্ম মন্ত্রণালয় সচিব ও যুগ্ম মহাসচিব মুশফিকুর রহিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন ।

বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ ( সঃ ) নবুওয়াত লাভের একাদশ বর্ষের রজব মাসের ২৬ তারিখে দিন গত রাতে আল্লাহর বিশেষ মেহমান হিসেবে আরশে আজিম আহরণ করেন ।

তিনি আল্লাহ তাআলার দিদার লাভ করেন এবং আল্লাহ তাআলার হুকুম অনুযায়ী পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের হুকুম লাভ করেন এবং আল্লাহ তালার আদেশ অনুযায়ী পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের হুকুম অনুযায়ী তিনি দুনিয়াতে প্রত্যাবর্তন করেন এবং তিনি সমস্ত সৃষ্টি জগতের সবকিছু আরোপ করেন আর সবকিছু সমন্ধে জানেন ।

হযরত মুহাম্মদ সাল্লাহু সাল্লাম এর জীবনের সবচেয়ে আলোড়ন ও গুরুত্বপূর্ণ সৃষ্টিকারী ঘটনা মিরাজ আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ ( সঃ ) এই পরম সৌভাগ্য লাভ করেছেন আর কোন নবীগণ এই সৌভাগ্য লাভ করতে পারেননি ।

এই শবে মেরাজের রাতে হযরত মুহাম্মদ ( সঃ ) আল্লাহ তাআলার দিদার লাভ করেন এবং মানবজাতির উপরে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ রূপে আল্লাহ তাআলা হুকুম দেন এবং সমস্ত মানবজাতির নামাজ ফরজ হিসেবে পালন করার জন্য আদেশ দেন এজন্যই মুসলিম  ধর্মালম্বীদের কাছে মিরাজের তাৎপর্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ এবং মেরাজের রাত মুসলমানদের জন্য শ্রেষ্ঠ ইবাদতের রাত এ রাতে আল্লাহ তাআলা সকল মুমিন মুসলমানদের মনের ইচ্ছা পূরণ করেন এবং তাদেরকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখেন তাদের জীবনের সমস্ত গুনাহ মাফ করেন আল্লাহ তা’আলা তাঁর বান্দাদেরকে সঠিক পথ প্রদর্শনের নির্দেশ দেন ।

আল্লাহ তাআলা অতি দয়ালু ক্ষমাশীল আল্লাহ তা’আলা সকল পাপ ক্ষমা করেন এবং আল্লাহ তা’আলা সকল ব্যক্তিকে ক্ষমা করেন, আল্লাহ তাআলা অতি দয়ালু তাই আমরা সব সময় সর্বদা আল্লাহ তাআলার স্মরণ করবে এবং আল্লাহ তাআলার ইবাদত করব তাতে আল্লাহ তা’আলা আমাদের উপর রহমত বর্ষণ করবেন এবং সমস্ত বিপদ থেকে রক্ষা করবেন ( আল্লাহ আমাদের সবাইকে বোঝার তৌফিক দান করুক আমিন )

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *